ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, পর্তুগালে পাঠানো প্রথম চালানে রয়েছে অ্যামান্টাডিন ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল। এটি রেনাটার ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদনপ্রাপ্ত রাজেন্দ্রপুর কারখানায় তৈরি হয়েছে।
এছাড়া চালানে রয়েছে ফ্লুড্রোকর্টিসোন দশমিক ১ মিলিগ্রাম ও ক্যাবারগোলিন দশমিক ৫ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট। এ দুটি ওষুধ কোম্পানির ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদনপ্রাপ্ত মিরপুর কারখানায় প্রস্তুত করা হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রেনাটার শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ টাকা ৩৯ পয়সা, আগের বছরে যা ছিল ১৫ টাকা ৯৫ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২০ টাকা ২ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ১৯ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩০৫ টাকা ৪৯ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৯২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রেনাটার পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩১ টাকা ৫৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২০ টাকা ৪০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৯৫ টাকা ৫৬ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৬২ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রেনাটার ইপিএস হয়েছে ২০ টাকা ৪০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৪ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৬৬ টাকা ৮৭ পয়সায়।
রেনাটা পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৭ অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি।
১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেনাটা পিএলসি ১৯৭২ সালে মার্কিন ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড। বর্তমান নাম রেনাটা পিএলসি। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৮৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩ হাজার ৩৯১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৯৬ হাজার ৪৯০। এর ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৩ দশমিক ১২, বিদেশী বিনিয়োগকারী ১৭ দশমিক ৫৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।